বাড়তি আয় করুণ কলমের একটি নিজের কারখানা দিয়ে

বাড়তি আয় করুণ কলমের একটি নিজের কারখানা দিয়ে। কলমের কারখানা দিতে অধিক মূলধনের প্রয়োজন হয় না । লেখাপড়া থেকে শুরু করে হিসাব-নিকাশ, অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দৈনন্দিন সব কাজে কলম ছাড়া এক মিনিটও চলে না। বর্তমানে হরেক রকম ডিজাইনে কলমের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। এখন যে কেউ ইচ্ছা করলে ঘরে বসে/ অন্য কাজের পাশাপাশি/পার্ট টাইম হিসেবে নানা রংয়ের কলম তৈরি করে সাবলম্বী হতে পারেন বা অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। কলম উৎপাদনে অধিক মূলধনের প্রয়োজন হয় না বলে যে কেউই এই ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করে প্রচুর আয় করতে পারে। ছাত্রছাত্রীরা / বেকার ছেলেমেয়েরা ইচ্ছা করলে স্বল্প মূলধন ও কম পরিশ্রমে নিজগৃহে কলম উৎপাদন করে একদিকে যেমন নিজেদের পড়ালেখার খরচ নিজেরা জোগাড় করতে পারেন, অন্যদিকে পরিবারেও বড় ধরনের আর্থিক ভূমিকা রাখতে পারেন।

উৎপাদনের উপকরণঃ কলম উৎপাদন করতে বেশ কিছু কাঁচামালের প্রয়োজন। এসব কাঁচামালের মধ্যে রয়েছে মেশিন, কালি, বডি, নিব, বোতাম, প্যাকেট ও অকটেন। কলম উৎপাদনের এসব উপকরণ বিক্রির জন্য পুরান ঢাকার চকবাজারে রয়েছে অসংখ্য দোকান। যেখান থেকে পছন্দমতো কাঁচামাল কিনে আনতে পারেন। এসব দোকানে পাইকারি মূল্যে কাঁচামাল বিক্রি হয়। চকবাজার ছাড়াও ঢাকার নয়াবাজার ও বাবুবাজার এলাকার কিছু দোকানেও কলমের কাঁচামাল পাওয়া যায়।
আয়-ব্যয়ের আনুমানিক হিসাবঃ  একজন উৎপাদনকারীর পক্ষে মাসে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ হাজার পিস কলম উৎপাদন করা সম্ভব। এ হিসেবে মাসে ১৫-১৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব।
উৎপাদন প্রক্রিয়াঃ  যাদের কাছ থেকে কলম তৈরির মেশিন কিনবেন তাদের কাছ থেকে দুই/তিন দিন প্রশিক্ষন নিবেন। কোথায় কাঁচামাল পাবেন, এর ব্যবহার বিপনন তাদের কাছ থেকেই ধারনা পাবেন। তারপরও একটু ধারনা দিচ্ছি, প্রথমে মেশিনে কালি নিয়ে কলমের বডিতে ঢুকাতে হবে, বডিতে কালি ভরা শেষ হলে বোতাম ও নিব ভালোভাবে লাগাতে হবে। পরে মেশিনের মাধ্যমে হাওয়া দিতে হবে। বডির চারপাশে লেগে থাকা কালি অকটেন দিয়ে মুছে দিতে হবে। সব শেষে তৈরি কলম প্যাকেটজাত করতে হবে।
প্রশিক্ষণ ও মেশিন বিক্রয় কেন্দ্রঃ  রাজধানীতে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখান থেকে কলম উৎপাদনের মেশিন কিনলে তারা ফ্রি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। এমনকি বিপণনের সুবিধার্থে বিপণনের নিয়ম-কানুন শিখিয়ে দেয়। এ রকম কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা দেয়া হলো-

১. গোল্ডেন ভিলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং, বাকের বন্ধু সেন্টার, ৩২৫ সাউথ যাত্রাবাড়ী (২য় তলা), ঢাকা; ফোন : ৭৫৪৯৩০৯, ০১৭১১৩৩৮৭২০, ০১৯১৩-৪০২২০০। ওয়েবঃ http://bshqprince.com/ (এখানে আরও অন্যান্য মেশিনও আছে)
২. ভূঁইয়া ইঞ্জিনিয়ারিং, ৭৭/৫, মৌলভীবাজার (প্রাইম ব্যাংকের গলি), ঢাকা। ফোন : ০১৭১১-৪২৮৪০৭।
৩. স্বাদ মিশনারিজ, বাড়ি # ১১, রোড # ১, প্লট নং-৯৭৯, মোহাম্মদবাগ, শ্যামপুর, ঢাকা। ফোন : ৭৫১২৪৮৬।

এরকম আরও কোম্পানির নাম কেউ জানলে আমাদের জানাবেন, অনেকই তাহলে উপকৃত হবেন।

নিজে পড়ুন, ভালো লাগলে বা অন্যদেরকে কলম তৈরির কারখানা দিতে উৎসাহিত করতে লিংকটি শেয়ার করুণ। বাংলাদেশে বেকারত্ব দূরীকরণে সাহায্য করুণ- ই টিপস।

Share this post for your friend (সবার জন্য এই লিংকটি শেয়ার করুন)

PinIt
শুধু পাঠক হিসাবে নয় আমরা আপনাকে চাই একজন শিক্ষক ও লেখক হিসাবে। প্রয়োজনীয় ছবি সহ আমাদেরকে লিখুন ইমেইলে- etipsbdinfo@gmail.com

One thought on “বাড়তি আয় করুণ কলমের একটি নিজের কারখানা দিয়ে

  1. Pingback: বাংলাদেশের এই বিশাল প্রযুক্তি জোনে স্বাগতম – ELS

Comments are closed.