বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করুন, পোস্টটি ডাউনলোড করে নিন

Click Here to Download

Click the image to Download

উপরের Download ইমেজে ক্লিক করলে পিডিএফ ফাইল ওপেন হবে, তারপর Save As করে আপনার কম্পিউটারে সেভ করুণ। এই পিডিএফ ফাইলটি কোন ওয়েবসাইট, ফেসবুকে পাবলিশ করবেন না- ই টিপস বিডি।

বিঃ দ্রঃ ডাউনলোড নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

একটি ই টিপসঃ

ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ পদ্ধতি:
ফায়ার এক্সটিংগুইসারের গায়ে লিখা থাকে তাতে কী ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে। সিলিন্ডারের সাথে সংযুক্ত প্রেসার গেজের রিডিং দেখে বুঝা যায় তা কার্যকর হয়েছে কিনা। সিলিন্ডারের গায়ের রং দেখেও বুঝা যায় তা কী ধরনের এক্সটিংগুইসার। যেমন- লাল রং হচ্ছে ওয়াটার টাইপ, ক্রীম কালার হচ্ছে ফোম টাইপ, কালো রং হচ্ছে কার্বন-ডাই-অক্সাইড টাইপ এবং নীল রঙের এক্সটিংগুইসার হচ্ছে পাউডার টাইপ।
প্রাথমিক অবস্থাতেই আগুনের উপর ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ করতে হয়। ফায়ার এক্সটিংগুইসার সিলিন্ডারের হ্যান্ডেল ডান হাতে ধরে বাঁ হাত দিয়ে টান মেরে সেফটি পিনটাকে খুলে ফেলে বাম হাতে হোস পাইপ আগুনের দিকে তাক করে ডান হাতের আঙুল দিয়ে বাটন বা লিভার চাপতে হয়। নিচের চিত্রটি ভাল করে দেখুনঃ

ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ পদ্ধতি

ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ পদ্ধতি

ফায়ার এক্সটিংগুইসার সর্বদাই বাতাসের অনুকূলে থেকে প্রয়োগ করতে হয়, যাতে কেমিক্যাল পাউডার বা গ্যাস বা ফোম উড়ে এসে নিজের গায়ে না পড়ে। আগুনের উৎপত্তিস্থলের সর্বোচ্চ ২ মিটার দূর থেকে ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ করতে হয়। আগুন ছোট অবস্থায় থাকতে ফায়ারম্যানের অপেক্ষায় না থেকে হাতের কাছে থাকা ফায়ার এক্সটিংগুইসার দ্বারা প্রাথমিক অবস্থায় নিজেই অগ্নি নির্বাপণ করা উত্তম। জ্বলন্ত বস্তুতে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি বা বালি ছিটিয়েও আগুন নেভানো যায়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন