ইচ্ছে স্কুল আইডিয়া

আমাদের ইচ্ছে স্কুল ভাবনা, যেখান থেকে শুধু পড়ালেখা শিখবনা পড়ালেখার পাশাপাশি শিখব অনেক কিছুই। একটি আধুনিক স্কুল স্কুল যে রকম হবে, সে ভাবনা গুলো তুলে ধরেছেন- কনা মনি

১। স্কুলে ঢোকার সময় ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হবে (যন্ত্রের সাথে এমন ব্যবস্থা থাকবে যেন সাথে সাথে শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইলে নোটিফিকেশন মেসেজ চলে যাবে, অভিবাবকরা যেন বুঝতে পারেন তাদের ছেলে/মেয়ে স্কুলে প্রবেশ করেছে কি না)।

২। স্কুলের পরীক্ষার রেজাল্ট বাবা মায়ের মোবাইলে চলে যাবে। পরীক্ষার রেজাল্ট যারা বাবা মায়ের কাছে লুকাত তারা এখন থেকে যেন আর লুকাতে না পারে।

৩। ইংলিশ স্পিকিং কোর্স ও ইংলিশ ডিবেটিং ক্লাব থাকবে যাতে শুরু থেকেই ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিস থাকে।

৪। কম্পিউটার ল্যাব ও বিনামূল্যে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা থাকবে।

৫। ৮ম শ্রেনি থেকে সকল শিক্ষার্থীর ডিজিটাল নোটবুক বা ট্যাব থাকবে। যেখানে শিক্ষা সহায়ক তথ্য, পাঠ্য বই, ক্লাস রুটিন, পরীক্ষার রুটিন, স্কুল নোটিশ ইত্যাদি থাকবে।

৬। সকল শিক্ষার্থীর তথ্যের ডাটাবেস থাকবে।

৭। ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনে চলার এবং শেখার ব্যবস্থা থাকবে।

৮। সাংস্কৃতিক ও বিনোদন ক্লাব থাকবে, যেখানে সাংস্কৃতিক ও বিনোদন চর্চা এবং প্রতিযোগিতা থাকবে।

৯। সেমিস্টার ভিত্তিক পড়ালেখা ব্যবস্থা থাকবে।

১০। বছরের শুরুতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার সকল শিক্ষার্থীর হাতে দিতে হবে।

১১। গরিব, প্রতিবন্ধী ও মেধাবিদের বিশেষ সুযোগ দিতে হবে।

১২। প্রতি বছর শিক্ষা সফর এর ব্যবস্থা থাকতে হবে।

১৩। প্রতি বছর বিজ্ঞান মেলার আয়োজন থাকবে।

১৪। স্পোর্টিং ক্লাব থাকবে এবং স্কুল ও ক্লাস ভিত্তিক লিগের আয়োজন থাকবে। ইনডোর ও আউটডোর উভয় খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে।

১৫। আধুনিক লাইব্রেরী, প্রয়োজনীয় বই ও কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা থাকবে।

১৬। অভিবাবকদের নিয়ে প্রতি তিন মাস পর পর মিটিং এর ব্যবস্থা থাকবে।

হোকনা আমাদের এরকম একটি স্কুল, বাংলাদেশের সকল স্কুল।

 

 অনেক দিন পরে একটা ভাল উদ্যোগ দেখলাম।

চট্টগ্রাম কৃষ্ণকুমারী স্কুলের ছাত্রীদের এখন থেকে স্কুলে ঢোকার সময় ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হবে। সাথে সাথে মেয়ের অভিভাবকের মোবাইলে নোটিফিকেশন মেসেজ চলে যাবে, মেয়ে স্কুলে প্রবেশ করেছে কি না। এছাড়া পরীক্ষার রেজাল্ট যারা বাবা মায়ের কাছে লুকাত তারা এখন থেকে তা পারবেনা। কারণ এই স্কুলের পরীক্ষার রেজাল্ট বাবা মায়ের মোবাইলে চলে যাবে! উদ্যোগটি নিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন। ডব্লিউথ্রিএক্সপ্লোরার্স বাংলাদেশ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

ফেসবুকে কমেন্টস করতে, আপনার ফেসবুকে লগইন থাকতে হবে-

Share this post for your friend (সবার জন্য এই লিংকটি শেয়ার করুন)

PinIt
শুধু পাঠক হিসাবে নয় আমরা আপনাকে চাই একজন শিক্ষক ও লেখক হিসাবে। প্রয়োজনীয় ছবি সহ আমাদেরকে লিখুন ইমেইলে- etipsbdinfo@gmail.com